প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
saf television
saf television সিলেট আম্মরখানা রাজার গলি ২৭/২
01778291638 | shumonahmed1024@gmail.com
জাতীয়

এলডিসি উত্তরণের আগে যত বেশি সম্ভব চুক্তি করতে চাই : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ জাতীয় টেলিভিশন সম্প্রচারে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এলডিসি (Least Developed Countries) তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে যত বেশি সম্ভব বাণিজ্যিক
প্রতিবেদক: এস এ এফ সুমন আহমদ প্রকাশ: Sep 14, 2026 প্রিন্ট: 20 Oct 2026, 02:15 PM
এলডিসি উত্তরণের আগে যত বেশি সম্ভব চুক্তি করতে চাই : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ জাতীয় টেলিভিশন সম্প্রচারে জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এলডিসি (Least Developed Countries) তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে যত বেশি সম্ভব বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর করতে ইচ্ছুক। তিনি উল্লেখ করেন, এই সময়কালে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের প্রতিযোগিতা শক্তিশালী করার জন্য বহুমুখী চুক্তি অপরিহার্য, এবং তা দেশের রপ্তানি ভিত্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, কারণ চুক্তি স্বাক্ষরের সময়সীমা সীমিত এবং তা দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে।

বাংলাদেশের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার প্রক্রিয়া ২০২৩ সালের শেষের দিকে সমাপ্ত হওয়ার কথা। এই উত্তরণে দেশের জিডিপি বৃদ্ধি, মানব উন্নয়ন সূচক এবং অবকাঠামো উন্নয়নের নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করা আবশ্যক। অতীতে, সরকার বহু দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের চেষ্টা করেছে, তবে চুক্তির বাস্তবায়ন ও সুবিধা গ্রহণে কিছু বাধা দেখা দিয়েছে। বিশেষত, কৃষি ও পোশাক শিল্পে রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণে পর্যাপ্ত অগ্রগতি না হওয়ায় নতুন চুক্তির প্রয়োজনীয়তা তীব্র হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পর, গৃহীত শিল্প সমিতি ও বেসরকারি সংস্থা দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যথাযথ পর্যালোচনা ও শর্তাবলী নিশ্চিত করা দরকার, যাতে দেশের স্বার্থ রক্ষা পায়। বিরোধী দলও এই ঘোষণাকে সমালোচনা করে, তারা দাবি করে যে দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষর দেশের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থের ক্ষতি করতে পারে। সাধারণ জনগণের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়; রপ্তানি কর্মী ও উদ্যোক্তারা নতুন বাজারের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী, তবে কিছু শ্রমিক সংস্থা কর্মসংস্থান ও মজুরির ওপর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে।

সরকার ইতিমধ্যে এলডিসি উত্তরণের আগে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করেছে, যা প্রাসঙ্গিক মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত। এই টাস্ক ফোর্স দ্রুত চুক্তি পর্যালোচনা, শর্তাবলী নির্ধারণ এবং সংশ্লিষ্ট আইনগত কাঠামো তৈরি করবে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দেশীয় পণ্য প্রদর্শনের জন্য একাধিক মিশন পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে সম্ভাব্য অংশীদারদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়। ভবিষ্যতে, সরকার চুক্তি বাস্তবায়নের পর পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করবে, যাতে রপ্তানি বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে স্পষ্ট ফলাফল দেখা যায় এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন টেকসই হয়।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ saf television