প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
saf television
saf television সিলেট আম্মরখানা রাজার গলি ২৭/২
01778291638 | shumonahmed1024@gmail.com
অনন্য

গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া মানেই ক্যানসার নয়, লিম্ফোমা সম্পর্কে জানুন

সম্প্রতি স্বাস্থ্যসেবা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ভুল ধারণা দূর করতে সাহায্য করবে। চিকিৎসকদের মতে, শরীর
প্রতিবেদক: এস এ এফ সুমন আহমদ প্রকাশ: Sep 15, 2026 প্রিন্ট: 20 Oct 2026, 06:49 PM
গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া মানেই ক্যানসার নয়, লিম্ফোমা সম্পর্কে জানুন

সম্প্রতি স্বাস্থ্যসেবা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সচেতনতামূলক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা জনসাধারণের দীর্ঘদিনের ভুল ধারণা দূর করতে সাহায্য করবে। চিকিৎসকদের মতে, শরীরের বিভিন্ন অংশে লিম্ফ নোড বা লসিকা গ্রন্থি ফুলে যাওয়া মানেই তা ক্যানসার বা ক্যানসারের লক্ষণ নয়। বরং এই অবস্থাটি অনেক সময় লিম্ফোমা নামক এক ধরনের রোগের ইঙ্গিত দিতে পারে, যা সাধারণ ক্যানসার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই তথ্যটি প্রকাশের মাধ্যমে রোগীদের অপ্রয়োজনীয় মানসিক চাপ কমানো এবং সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এগিয়ে এসেছেন।

লিম্ফোমা হলো রক্ত ও লসিকা ব্যবস্থার একটি ক্যানসার, যা লিম্ফোসাইট নামক সাদা রক্তকণিকার অস্বাভাবিক বৃদ্ধির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। সাধারণ ক্যানসারের মতো এটি শরীরের যেকোনো অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে, তবে এর মূল উৎস লসিকা গ্রন্থি। চিকিৎসকদের বক্তব্য অনুযায়ী, শীত, জ্বর, ইনফেকশন বা অন্যান্য সাধারণ রোগেও লিম্ফ নোড ফুলে যেতে পারে। তাই রোগীরা সহজেই ভয় পেয়ে যান এবং ভুলে যান যে, ফুলে যাওয়া লিম্ফ নোডের পেছনে অনেক সময় সাধারণ ইনফেকশনই দায়ী থাকে। তবে দীর্ঘদিন ধরে ফুলে থাকলে, ওজন হ্রাস পেলে বা রাতের ঘামে ভোগলে তা লিম্ফোমার লক্ষণ হতে পারে, যা সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, লিম্ফোমা শনাক্ত হলে তা চিকিৎসার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি এবং টার্গেটেড থেরাপি ব্যবহার করে এই রোগের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। জনজীবনে এর প্রভাব এতটাই বড় যে, অনেক রোগী ভুল ধারণার কারণে সময়মতো চিকিৎসা নিতে ব্যর্থ হন, যা রোগের চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করে। তাই সচেতনতা বৃদ্ধি ও সঠিক তথ্যের প্রসার এই ক্ষেত্রে অপরিহার্য।

কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনগুলোতে সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে লিম্ফোমা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য বিশেষ সেল গঠন করা হবে। এছাড়াও জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন মিডিয়ায় সিরিজ প্রতিবেদন ও প্রচারণা চালানো হবে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, যাদের শরীরে লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়, তারা দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন। সঠিক সময়ের চিকিৎসা নিশ্চিত করলে লিম্ফোমা নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং রোগীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ saf television