প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
saf television
saf television সিলেট আম্মরখানা রাজার গলি ২৭/২
01778291638 | shumonahmed1024@gmail.com
জাতীয়

হাঁচির দোয়া পাঠে নবীজির শেখানো ৭ আদব

নবীজি (সা.) হাঁচির দোয়া পাঠের এক ঘটনার মধ্যে দুইজনের মধ্যে পার্থক্য দেখালেন। প্রথম ব্যক্তি হাঁচি দিলেন এবং তৎক্ষণাৎ নবীজির কাছ থেকে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ জবাব পেলে
প্রতিবেদক: এস এ এফ সুমন আহমদ প্রকাশ: Sep 19, 2026 প্রিন্ট: 21 Oct 2026, 04:41 PM
হাঁচির দোয়া পাঠে নবীজির শেখানো ৭ আদব

নবীজি (সা.) হাঁচির দোয়া পাঠের এক ঘটনার মধ্যে দুইজনের মধ্যে পার্থক্য দেখালেন। প্রথম ব্যক্তি হাঁচি দিলেন এবং তৎক্ষণাৎ নবীজির কাছ থেকে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ জবাব পেলেন। একই মুহূর্তে অন্যজন হাঁচি দিলেও কোনো জবাব শোনা যায়নি। বাদ পড়া ব্যক্তি তৎক্ষণাৎ নবীজির কাছে প্রশ্ন তুললেন, কেন তার হাঁচির জবাব দেওয়া হয়নি। নবীজি (সা.) ব্যাখ্যা করলেন যে হাঁচির দোয়া পাঠের নির্দিষ্ট আদব অনুসরণ না করলে জবাব দেওয়া হয় না। এই ঘটনা একটি ধর্মীয় সমাবেশের সময় ঘটেছিল, যেখানে উপস্থিত বহু মুমিন নবীজির শিক্ষার প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ধর্মীয় সমাজে বিস্তৃত আলোচনার সূত্রপাত করে।

ইসলামী শারিয়াতে হাঁচির দোয়া পাঠের সাতটি আদবের উল্লেখ রয়েছে। প্রথমে হাঁচি নেওয়া ব্যক্তি ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বলে আল্লাহর প্রশংসা করেন, এরপর উপস্থিত অন্যরা ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলে জবাব দেন। তৃতীয়টি হল হাঁচি নেওয়া ব্যক্তির ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা, চতুর্থটি হল ‘ইশফা’ (সুস্থতা) প্রার্থনা, পঞ্চমটি হল হাঁচি নেওয়া ব্যক্তির ‘ইশফা’ বলা, ষষ্ঠটি হল হাঁচি নেওয়া ব্যক্তির ‘আলহামদু লিল্লাহ’ পুনরায় বলা এবং সপ্তমটি হল উপস্থিতদের ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ পুনরাবৃত্তি। নবীজি (সা.) এই আদবগুলোকে ইসলামী নৈতিকতার ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন এবং হাঁচির দোয়া পাঠে সঠিক অনুশীলনকে ধর্মীয় শৃঙ্খলার অংশ হিসেবে জোর দিয়েছেন।

এই ঘটনার পর দেশব্যাপী ধর্মীয় পণ্ডিত, মুফতি ও ইসলামিক গবেষকগণ একমত হয়ে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন। তারা জোর দিয়ে বলেছেন যে হাঁচির দোয়া পাঠের আদব না মানলে নবীজির জবাব না দেওয়া স্বাভাবিক এবং তা ধর্মীয় শৃঙ্খলার অংশ। সাধারণ মুমিনদের মধ্যে এই ব্যাখ্যা শোনার পর বেশিরভাগই নিজেদের দৈনন্দিন জীবনে এই সাতটি আদব মেনে চলার গুরুত্ব উপলব্ধি করেছেন। সামাজিক মিডিয়ায়ও এই বিষয়টি নিয়ে বিশাল আলোচনা হয়েছে; বহু মানুষ হাঁচির দোয়া পাঠের সঠিক পদ্ধতি শিখতে ইলমি সেমিনার ও অনলাইন কোর্সে অংশগ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

অধিকাংশ ধর্মীয় সংস্থা ও মসজিদ পরিচালনা পরিষদ এখনই এই শিক্ষাকে পুনরায় জোরদার করার জন্য কর্মসূচি চালু করেছে। ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হাঁচির দোয়া পাঠের আদব বিষয়ক বিশেষ পাঠ্যক্রম যুক্ত করা হয়েছে এবং মসজিদে নিয়মিত ‘ইসলামী শিষ্টাচার’ শিবির আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের শিক্ষামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে মুমিনদের ধর্মীয় শিষ্টাচার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে, ফলে সমাজে ধর্মীয় শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় থাকবে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ saf television