প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
saf television
saf television সিলেট আম্মরখানা রাজার গলি ২৭/২
01778291638 | shumonahmed1024@gmail.com
জাতীয়

এক দিনে দুই বিমানবন্দরে প্রায় দেড় কোটি টাকার সোনা ও আইফোন জব্দ

গতকাল সোমবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একসঙ্গে দুইটি জব্দ অভিযান চালানো হয়। শুল্ক ও সীমানা সু
প্রতিবেদক: এস এ এফ সুমন আহমদ প্রকাশ: Oct 13, 2026 প্রিন্ট: 20 Oct 2026, 11:27 AM
এক দিনে দুই বিমানবন্দরে প্রায় দেড় কোটি টাকার সোনা ও আইফোন জব্দ

গতকাল সোমবার ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একসঙ্গে দুইটি জব্দ অভিযান চালানো হয়। শুল্ক ও সীমানা সুরক্ষা বিভাগের কর্মীরা মোট প্রায় দেড় কোটি টাকার সোনা এবং উচ্চমূল্যের আইফোন জব্দ করে, যা দেশের সাম্প্রতিক সময়ে সর্বোচ্চ জব্দের মধ্যে একটি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এই জব্দের মাধ্যমে অবৈধ পণ্য প্রবাহ রোধে শুল্ক বিভাগের তীব্রতা ও কার্যকারিতা প্রকাশ পেয়েছে, এবং দেশের নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বার্থ রক্ষার গুরুত্ব পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে।

বছরের পর বছর ধরে সোনা ও ইলেকট্রনিক পণ্যের অবৈধ আনা-নেওয়া দেশের সীমান্তে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে এসেছে। পূর্বে একই রকম জব্দের ঘটনা ঘটলেও, সোনার পরিমাণ ও মূল্য তুলনায় এইবারের জব্দ সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সাপ্লাই চেইনের জটিলতা এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের চাহিদা অবৈধ শিপিংকে উৎসাহিত করে। শুল্ক বিভাগ অতিরিক্ত স্ক্যানার ও রেডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে, এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে এই অভিযান সফল করেছে।

শুল্ক ও সীমানা সুরক্ষা বিভাগের প্রধানের মতে, “অবৈধ সোনা ও উচ্চমূল্যের স্মার্টফোনের প্রবাহ রোধে আমরা কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।” এদিকে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জব্দকৃত পণ্যের সঠিক হ্যান্ডলিং ও তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখবে। জনসাধারণের মধ্যে এই জব্দকে স্বাগত জানিয়ে, অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর নীতি প্রয়োগের দাবি তীব্র হয়েছে।

অধিক তদন্তের অংশ হিসেবে শুল্ক বিভাগ জব্দকৃত পণ্যের উৎস ও গন্তব্য চিহ্নিত করতে ফরেনসিক বিশ্লেষণ চালাবে এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ভবিষ্যতে সীমান্তে অতিরিক্ত রেডার ও বায়োমেট্রিক সিস্টেম স্থাপন, এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়িয়ে অবৈধ পণ্য প্রবাহ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই উদ্যোগগুলো দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও নাগরিকের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ saf television